Friday, January 13, 2012
মালয়েশিয়া-সিঙ্গাপুর ইন্ধন-শক্তির ক্ষেত্রে সহযোগিতা-সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ
মালয়েশিয়া এবং সিঙ্গাপুর তাদের বিদ্যুৎ শক্তিকে অংশীদারির ভিত্তিতে ব্যাবহার করার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে চায়। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীরা যখন গত ৫ জানুয়ারি পুত্রজায়াতে বৈঠকে বসেন তখন মালয়েশিয়া সিঙ্গাপুরে তাদের বিদ্যুৎ বিক্রির প্রস্তাব দেয়।
যদিও বেসরকারি ভাবেই এই বিদ্যুৎ মালয়েশিয়া থেকে সিঙ্গাপুরে বিক্রির প্রস্তাব করা হয়েছে, তবুও সিঙ্গাপুর তা আমদানি করতে রাজি আছে, যদি শর্তগুলি সহজ হয়। সিঙ্গাপুর অবশ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে পরিবেশের প্রভাবও বিবেচনা করে দেখবে।
সিঙ্গাপুরের জন্য খুবই আশাব্যঞ্জক, যদিও এতে চ্যালেঞ্জ আছা:
যদিও এতে পারস্পরিক উপকার আছে, তবুও এটাতে অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। যদিও মালয়েশিয়া বিদ্যুৎ রফতানি করতে চাচ্ছে, কিন্তু তাদের নিজেদেরই বিদ্যুতের চাহিদা ক্রমবর্ধমান। বর্তমানে মালয়েশিয়াতে গ্যাস ও কয়লা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন যথাক্রমে ৬০% এবং ২০%। উপরন্তু, গ্যাস উৎপাদন বর্তমান সময়ে বেশ কমে এসেছে। জলবিদ্যুৎ উৎপাদনও খুব বেশী সম্ভব নয়, ভূমি উন্নয়নের করনে।
সেই ক্ষেত্রে জীবাশ্ম জ্বালানীর পরিবর্তে পারমাণবিক শক্তিই হবে কৌশলগত বিকল্প জ্বালানী। অন্যদিকে তেল এবং গ্যাস রফতানির দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। অন্যদিকে ভূমি-স্বল্প সিঙ্গাপুরে বৃহদায়তনের নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট প্রযুক্তিগত বিরাট চ্যালেঞ্জ। সিঙ্গাপুরের অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখার জন্যই বিদ্যুৎ শক্তির কার্যকারিতা এবং সংরক্ষণ নিবিড় প্রচেষ্টার মাধ্যমে অর্জন করা প্রয়োজন। বর্তমানে আমদানিকৃত গ্যাসের উপর সিঙ্গাপুরের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নির্ভরশীল।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment